Boalkhali Kalurghat Bridge implementation council
Wednesday, May 14, 2014
Tuesday, May 13, 2014
১০ই মে, শনিবার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বোয়ালখালী কালুরঘাট সেতুর দাবীতে আয়োজিত ঐতিহাসিক মানববন্ধনের ............
Sunday, May 11, 2014
কালুরঘাট সেতু বোয়ালখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণের দাবি
বোয়ালখালী কালুরঘাট সেতু চাই ..............
.
এম এ তাহের টুটুল: কালুরঘাট সেতু বোয়ালখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণের দাবি। দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের অস্তিত্ব রক্ষায় ও উন্নয়নে বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু নির্মাণের দাবিতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ।
১০ মে সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
দাবি আদায়ে মাসব্যাপী বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে গণসংযোগ এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব সাংবাদিক রমেন দাশ গুপ্ত।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, কালুরঘাট সেতু দিয়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে। পটিয়ার ধলঘাট, রতনপুর, রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন স্থানের বেশির ভাগ মানুষের শহরের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ সেতুর গুরুত্ব অপরসীম ।ব্রিটিশদের তৈরি করা এ সেতু এখন অনেকটা জরার্জীণ হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়েছে যেকোন মুহূর্তে ভেঙ্গে ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। তাছাড়া একটা সেতুর উপর ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের কারণে প্রতিদিন সৃষ্টি হয় অনেক বড় বড় যানজট।
তাই শীঘ্রই নতুন সেতুর বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা আরো বলেন, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ীরা এ সেতু দিয়ে নগরীতে আসা যাওয়া করে। রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের কারণে তারা ঠিক সময়ে স্কুল-কলেজ, অফিস ও কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারে না। সময়ের অপচয়ের কারণে তাদেরকে অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কালুরঘাট সেতুর আশেপাশে গড়ে ওঠেছে অনেক শিল্প-কারখানা। তাই অনেক সময় দেখা যায় নগরী থেকেও অনেক ব্যবসায়ী ও কাজের জন্য আসা যাওয়া করতে হয়। তাদেরকেও মাঝে মধ্যে অনেক বড় সমস্যা মুখোমুখি হতে হয়।
বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদীর কালুরঘাট অংশে থাকা মেয়াদোর্ত্তীণ রেল সেতুটি একমুখী হওয়ায় সেতুর দুই পারে দীর্ঘ যানজট নিত্যদিনের ঘটনা। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে বোয়ালখালী ও পটিয়া উপজেলার পূর্ব অংশের লাখ লাখ মানুষ বাধ্য হয়ে চলাচল করে। শুধু একটি দ্বিমুখী সেতুর অভাবে আটকে আছে এ অঞ্চলের শিল্পায়ন ও উন্নয়ন।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, একটি সেতুর জন্য চিকিৎসার অভাবে অনেক মানুষ মারা গেছেন। দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় উপজেলা থেকে নগরীতে যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
সমাবেশ থেকে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে মে মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মতবিনিময়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবীদের সাথে মত বিনিময়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় এবং সর্বশেষ চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষক, আইনজীবী, শিশু সংগঠক, শিল্পী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স রুবেল।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, আবৃত্তি শিল্পী বোধনের সভাপতি রণজিৎ রক্ষিত, রাজনীতিবিদ সৈয়দ নুরুল হুদা, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি অধ্যক্ষ দবির উদ্দিন খান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহেদা আক্তার শেফু, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক কানাই লাল দাশ, শিশু সংগঠক অমল কান্তি নাথ, খেলাঘর সংগঠক প্রকৌশলী রূপক চৌধুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফ খান, সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট উজ্জ্বল সরকার, ইঞ্জিনিয়ার বাবর মুনাফ, সেতু আন্দোলন সংগঠক এম এ তাহের টুটুল, সাংবাদিক উত্তম সেনগুপ্ত, আলমগীর মোর্শেদ বাবু, শিশু সংগঠক আবুল ফজল বাবুল, অন্নপূর্ণা কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দীপেন দাশ গুপ্ত।
সমাবেশে সংহতি জানায় বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস), স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগ, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি বোয়ালখালী শাখা, খেলাঘর বোয়ালখালী উপজেলা কমিটি, অংকুর খেলাঘর আসর, দিশারী খেলাঘর আসর, পূর্বাশা খেলাঘর আসর, মিলন মেলা খেলাঘর আসর, বিনয়বাঁশি শিল্পী গোষ্ঠী, রাহে ভান্ডার কধুরখীল দরবার শরীফ, অন্নপূর্ণা কল্যাণ সমিতি, মুন্সি পাড়া একতা সংঘ, পিপলস ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, অছি মিয়া মাস্টার পাবলিক লাইব্রেরি, ফরফেজ আহম্মেদ ফাউন্ডেশন, মানস রঞ্জিনী সমিতি, ফুটন্ত গোলাপসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল মোমিন এবং সঞ্চালনা করেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মুস্তফা নঈম।
.
এম এ তাহের টুটুল: কালুরঘাট সেতু বোয়ালখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণের দাবি। দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের অস্তিত্ব রক্ষায় ও উন্নয়নে বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু নির্মাণের দাবিতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ।
১০ মে সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
দাবি আদায়ে মাসব্যাপী বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে গণসংযোগ এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব সাংবাদিক রমেন দাশ গুপ্ত।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, কালুরঘাট সেতু দিয়ে প্রতিদিন ৫০ হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে। পটিয়ার ধলঘাট, রতনপুর, রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন স্থানের বেশির ভাগ মানুষের শহরের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ সেতুর গুরুত্ব অপরসীম ।ব্রিটিশদের তৈরি করা এ সেতু এখন অনেকটা জরার্জীণ হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়েছে যেকোন মুহূর্তে ভেঙ্গে ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। তাছাড়া একটা সেতুর উপর ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের কারণে প্রতিদিন সৃষ্টি হয় অনেক বড় বড় যানজট।
তাই শীঘ্রই নতুন সেতুর বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা আরো বলেন, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ীরা এ সেতু দিয়ে নগরীতে আসা যাওয়া করে। রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের কারণে তারা ঠিক সময়ে স্কুল-কলেজ, অফিস ও কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারে না। সময়ের অপচয়ের কারণে তাদেরকে অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কালুরঘাট সেতুর আশেপাশে গড়ে ওঠেছে অনেক শিল্প-কারখানা। তাই অনেক সময় দেখা যায় নগরী থেকেও অনেক ব্যবসায়ী ও কাজের জন্য আসা যাওয়া করতে হয়। তাদেরকেও মাঝে মধ্যে অনেক বড় সমস্যা মুখোমুখি হতে হয়।
বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদীর কালুরঘাট অংশে থাকা মেয়াদোর্ত্তীণ রেল সেতুটি একমুখী হওয়ায় সেতুর দুই পারে দীর্ঘ যানজট নিত্যদিনের ঘটনা। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে বোয়ালখালী ও পটিয়া উপজেলার পূর্ব অংশের লাখ লাখ মানুষ বাধ্য হয়ে চলাচল করে। শুধু একটি দ্বিমুখী সেতুর অভাবে আটকে আছে এ অঞ্চলের শিল্পায়ন ও উন্নয়ন।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, একটি সেতুর জন্য চিকিৎসার অভাবে অনেক মানুষ মারা গেছেন। দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় উপজেলা থেকে নগরীতে যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
সমাবেশ থেকে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে মে মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মতবিনিময়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবীদের সাথে মত বিনিময়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় এবং সর্বশেষ চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষক, আইনজীবী, শিশু সংগঠক, শিল্পী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু তৈয়ব, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স রুবেল।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, আবৃত্তি শিল্পী বোধনের সভাপতি রণজিৎ রক্ষিত, রাজনীতিবিদ সৈয়দ নুরুল হুদা, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি অধ্যক্ষ দবির উদ্দিন খান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহেদা আক্তার শেফু, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক কানাই লাল দাশ, শিশু সংগঠক অমল কান্তি নাথ, খেলাঘর সংগঠক প্রকৌশলী রূপক চৌধুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফ খান, সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট উজ্জ্বল সরকার, ইঞ্জিনিয়ার বাবর মুনাফ, সেতু আন্দোলন সংগঠক এম এ তাহের টুটুল, সাংবাদিক উত্তম সেনগুপ্ত, আলমগীর মোর্শেদ বাবু, শিশু সংগঠক আবুল ফজল বাবুল, অন্নপূর্ণা কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দীপেন দাশ গুপ্ত।
সমাবেশে সংহতি জানায় বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস), স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগ, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি বোয়ালখালী শাখা, খেলাঘর বোয়ালখালী উপজেলা কমিটি, অংকুর খেলাঘর আসর, দিশারী খেলাঘর আসর, পূর্বাশা খেলাঘর আসর, মিলন মেলা খেলাঘর আসর, বিনয়বাঁশি শিল্পী গোষ্ঠী, রাহে ভান্ডার কধুরখীল দরবার শরীফ, অন্নপূর্ণা কল্যাণ সমিতি, মুন্সি পাড়া একতা সংঘ, পিপলস ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, অছি মিয়া মাস্টার পাবলিক লাইব্রেরি, ফরফেজ আহম্মেদ ফাউন্ডেশন, মানস রঞ্জিনী সমিতি, ফুটন্ত গোলাপসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল মোমিন এবং সঞ্চালনা করেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মুস্তফা নঈম।
Subscribe to:
Posts (Atom)






























































































